স্বপন কুমার রায় খুলনা ব্যুরো প্রধান
খুলনার দাকোপে সেচের পানির অভাবে তরমুজ আবাদে কৃষকদের লাভের সপ্ন ফিকে হয়ে আসছে
স্বপন কুমার রায় খুলনা থেকে
খুলনার দাকোপ উপজেলায় গত বছরের তুলনায় এবার দিগুণের বেশি জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে।তবে কৃষকদের লাভের সপ্ন ফিকে হয়ে আসছে সেচের পানির অভাবে।ফলন কমার পাশাপাশি তরমুজের গাছ মরে যাওয়ারই আশাঙ্খা দেখা দিয়েছে।
দাকোপ উপজেলায় চাষি ও কৃষিকর্মকর্তারা বলেছেন
পানির উৎস খালগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় এবং গত কয়েক মাস বৃষ্টি না হওয়ায় এ অবস্হার সৃষ্টি হয়েছে।
দাকোপ উপজেলায় উপজেলা কৃষি সম্প্রাসাণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে খুলনা বিভাগের মধ্যে খুলনায় সবচেয়ে তরমুজের চাষ হয়।এর মধ্যে জেলার
উৎপাদিত তরমুজের ৭০-৭৫শতাংশই দাকোপের।গত
বছর ১হাজার ৫৩৫ হেক্টর জমিতে আবাদ জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছিল।এবার ৩ হাজার ৪০৭ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে।
দাকোপের অন্তত ১৫টি গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, বেশির
ভাগ জমির তরমুজগাছ বড়হয়ে গেছে।গাছে ফুল ও গুটি আশা শুরুকরেছে,কিছু ক্ষেতে তরমুজ বড় হয়ে গেছে। পানি,সারও কীটনাশক ছিটানোয় ব্যস্ত সময়
পার করছেন কিষান কিষানিরা।তবে সেচের তীব্র সংকট। প্রচন্ড তাপে এবং দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় মাঠের ভেতরের খাল-বিল শুকিয়ে গেছে। অনেকে ছেট ছোট কুয়াকেটে প্রথক দিকে সেখান থেকে সেচ দিয়েছেন।কান্তু সে পানির আধার গুলোতেও পানি শুকিয়ে গেছে। আবার অনেক কৃষক দুরের নদীথেকে
পাম্প ও পাইপের মাধ্যমে খেতে পানি দিচ্ছেন।সে নদীও এখন শুকিয়ে গেছে। দাকোপের লাউডোব ইউনিয়ের তরুন সমাজ সেবক লুটাস সরকার তিনি ৫বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন,কিন্তু পানি নেই, ধীমান সরকার,সুখেন্দু সরকার ও বিজন বাড়ৈই বলেন
লাউডেবে নদীটি একেবারে শুকিয়ে গেছে সরকারি ভাবে নদীটি খনন করলে এবং নদীটিতে কোমর দেওয়া বন্দ হলে নদীটির যৌবন ফিরে পেতো।
দাকোপ উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা মেহেদী হাসান খান বলেন, বৃষ্টি না হলে আগামী ১০দিনের মধ্যে তরমুজ খেতে পানি দেওয়ার জন্য কোন পানি থাকবেনা।
Leave a Reply